পীরগঞ্জে হাটবাজারগুলোতে নিম্নমানের ধানবীজ দেদারছে বিক্রি চলছে
আব্দুল করিম সরকার পীরগঞ্জ (রংপুর) থেকে

রংপুরের পীরগঞ্জে হাটবাজার গুলোতে আসন্ন ইরি-বোরো মৌসুমে ভেজাল, নিন্মমানের ও নকল ধানের বীজ দেদারছে বিক্রি চলছে।
ইতিমধ্যে অনেক কৃষক রং-বেরং এর বিভিন্ন নামের কোম্পানীর ভরা প্যাকেটের বীজ কিনে জমিতে বপন করার পর সেখান থেকে চারা না গজায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক কুল।
অনেকে কৃষক অভিযোগ করে বলেন কৃষি বিভাগের মনিটরিং এর অভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন কোম্পানীর প্যাকেটের বীজে নামীদামী কোম্পানীর লেবেল ব্যবহার করে বাজারে ওই সব বীজ বিক্রি করছেন। তাই বীজ কিনতে হিমশিম খাচ্ছে অনেকেই। জানা গেছে, আসন্ন ইরি-বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে উপজেলায় বিভিন্ন হাট বাজারে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অস্থায়ী অনেক ধান বীজের দোকান। এসব দোকানে নকল, ভেজাল ও নি¤œ মানের ধান বীজ বিক্রি হচ্ছে অবাধে। গ্রামে গ্রামে মাইকিং করে ও বিঘা প্রতি ৪৫ থেকে ৫০ মন উৎপাদনের আশ্বাস বাণী শুনিয়ে বীজ বিক্রি করছে অনেক কোম্পানি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনুমোদিত এক বীজ ব্যবসায়ী জানান, স্থানীয়ভাবে বীজ উৎপাদন করে প্যাকেট জাত করা হয়েছে। এতে গুণগত মানের ক্ষেত্রে তার কোন ধারনা বা গ্যারান্টি তার কাছে নেই বলে জানান। বিশেষ করে মাদারগঞ্জ হাটে নজরুল ইসলাম বীজ ভান্ডার সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে তিনি বাড়ীতে প্যাকেট জাত করে বিভিন্ন নামী-দামী কোম্পানীর লেভেল ব্যবহার করে মুক্তার এ.সি.আই-১, ব্র্যাক বীজ- ব্রি ধান-২৮, পোনাইন বি.ডি ওই সব নামীদামি কোম্পানীর লেবেল ব্যবহার করে অধিক লাভের আসায় এসব ভেজাল ও নিম্নমানের বীজ বিক্রি করে আসছেন। আর এর খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ কৃষকদের। কৃষি অধিদপ্তর অনুমোদন ছাড়াই অনেক কোম্পানি রং বেরঙ্গের সজ্জিত মোড়কে বীজ ভরে তা বাজারে ছাড়ছে নিবিঘেœ। ওই সব বীজ কিনে কৃষকরা প্রতারিত হলেও সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে।এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সমীর চন্দ্র ঘোষ বলেন- নিম্নমানের বীজের ব্যাপারে বি.এস-দের সাথে কথা হয়েছে তবে, এ বছরে বীজের দাম বেশি হওয়ায় সুযোগ সন্ধানী কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরনের কাজে জড়িত থাকলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নিব।